=:= জ্যোতিষ শাস্ত্র সম্পর্কীত কিছু কথা =:=
প্রাচীন
কাল থেকেই এ শাস্ত্রকে বিভিন্ন জাতি ধর্ম, বর্ণ, গত্র নির্বিশেষে
বুদ্ধিজীবি ও সাধারন মানুষেরা স্বীকার করে আসছেন। ফলে সময়ের সাথে সাথে
জ্যোতিষ শাস্ত্রে সামনের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক থেকে আরো আধুনিকতর হচ্ছে।
জ্যোতিষ শাস্ত্র ও জ্যোতির বিজ্ঞান বিষয়টি হলো মহাকাশ সম্পর্কীয়
গ্রহ নক্ষত্র কেন্দ্রিক বিশেষ জ্ঞান। যেমন আমরা জানি চাঁদের আকর্ষনে
(জোয়ার-ভাটা, আমাবর্সা পূণিমা) হয়। পৃথিবীর জড় ও জীব জগতের উপরে চাঁদের
প্রভাব অপরিসীম। মানবদেহের ৭০ ভাগেরও বেশী পানি। এই পানির ভারসাম্য রক্ষা
করে চাঁদ। আবার সূর্য পৃথিবীতে বজায় রাখে জীবনের স্পন্দন। সূর্যের আলো
ছাড়া কোন জীবজন্তু এমনকি গাছ পালাও বাঁচতেপারে না। চাঁদ-সূর্য যখন আকাশে
পাশাপাশি হয়ে পড়ে তখন সাগরে উত্তাল তরঙ্গ ওঠে, জলোচ্ছাস আসে, বায়ুমন্ডলে
অধিক গ্যাসের সৃষ্টি হয় এবং সবাইকে তা প্রভাবিত করে। জৈব দেহের কনিকার
মধ্যে একটা উর্ধমাগী প্রেরনা আসে। তখন বিভিন্ন প্রকার রোগাক্রান্ত ব্যক্তির
দেহে অস্থিরতা বোধ করে। গবেষনার ফলে দেখা গেছে যে, পৃথিবীর বড় বড়
ভূমিকম্প আমাবস্যার কাছকাছি সময় ঘটছে। কি অপরিসীম এই চাঁদ-সূর্যের ক্ষমতা।
চাঁদ-সূর্যের মতো অন্যান্য গ্রহদেরও আছে আকর্ষন যাকে বৈজ্ঞানিক ভাষায় বলা
হয় মহাকর্ষ। বিভিন্ন গ্রহদের প্রতিফলিত রশ্মি পড়ছে পৃথিবীর সব মানুষের
উপরে। জ্যোতিষ শাস্ত্র হলো জ্যোতি বা রশ্মি শাস্ত্র। গ্রহ ও অসংখ্য নক্ষত্র
এবং অন্যান্য জ্যোতিস্কদের জ্যোতিয় ক্রিয়া কিভাবে মানুষ, জীব জন্তু
এমনকি দেশ ও জাতির উপর প্রভাব ফেলছে তাই হলো জ্যোতিষ শাস্ত্র ও জ্যোতির
বিজ্ঞানের প্রতিপাদ্য বিষয়।
মানুষের বিভিন্ন সমস্যা যেমন - শারিরীক, মানুষিক, বৈষয়িক এসবের মূলে গ্রহ নক্ষত্রের ভূমিকা অপরিসীম।